মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে হতাশ করার পর ওয়ানডেতে বিজয়ীর বেশে ধরা দিল বাংলাদেশ। এবারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল টাইগারেরা। অবশ্য রেকর্ড বলছে এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। কারণ এর আগে ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপরীতে টানা আটটি জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
বলা যায়, পছন্দের সংস্করণ পেয়ে বল হাতে জ্বলে ওঠেন শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজরা। ব্যাট হাতে তাদের যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও অন্যরা। অনায়াসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
রবিবার ডমিনিকার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
মাঠ বৃষ্টিতে ভিজে থাকায় দুই ঘণ্টারও বেশি দেরিতে শুরু হয় ম্যাচ, কমে আসে ৪১ ওভারে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ পুরো ওভার খেলে করতে পারে ৯ উইকেটে ১৪৯ রান। জবাবে সফরকারীরা ৫৫ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে ১৫১ রান তুলে জয়ের বন্দরে নোঙর করে।
অন্যদিকে লক্ষ্য তাড়ায় তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। স্পিনার আকিল হোসেনের ডেলিভারি ডিফেন্ড করতে গিয়ে বলের লাইন মিস করে বসেন লিটন দাস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটারদের জোরালো এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে রিভিউ নিলেও উল্টো নষ্ট হয় তা। ৯ বল খেলে ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন।
তবে চাপ দলের ওপর জেঁকে বসতে দেননি অধিনায়ক তামিম। প্রায় দেড় বছুর পর ওয়ানডে খেলতে নামা নাজমুল হোসেন শান্তর ৩০ বলে ৪০ রানের জুটি গড়েন। তামিম বিদায় নেন ২৫ বলে ৩৩ রানে। তৃতীয় উইকেটে মাহমুদুল্লাহ ও শান্ত যোগ করেন ৪৯ রান। সব মিলিয়ে শান্ত ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসে ৫ চারে ৪৬ বলে ৩৭ রান করেন। ম্যাচ শেষে মাহমুদউল্লাহ ৬৯ বলে ৪১ ও নুরুল হাসান সোহান ২৭ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪১ ওভারে ১৪৯/৯ (হোপ ০, মেয়ার্স ১০, ব্রুকস ৩৩, কিং ৮, পুরান ১৮, পাওয়েল ৯, শেফার্ড ১৫, আকিল ৩, মোটি ৭, ফিলিপ ১৯*, সিলস ১৬*; নাসুম ৮-৩-১৬-০, মুস্তাফিজ ৮-০-৩৪-১, মিরাজ ৯-২-৩৬-৩, তাসকিন ৮-০-২৬-০, শরিফুল ৮-১-৩৪-৪)।
বাংলাদেশ: ৩১.৫ ওভারে ১৫১/৪ (তামিম ৩৩, লিটন ১, শান্ত ৩৭, মাহমুদউল্লাহ ৪১*, আফিফ ৯, সোহান ২০*; আকিল ৮-০-৪৩-১, সিলস ৩.৫-০-২৬-০, ফিলিপ ২-০-১৫-০, শেফার্ড ২-০-১০-০, মোটি ৯-১-১৮-১, পুরান ৭-০-৩৯-১)